1. sm.khakon@gmail.com : admin :
  2. rayhansumon2019@gmail.com : rayhan sumon : rayhan sumon
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

বানিয়াচংয়ে কুন্ডুরপাড় থেকে ঝিংরি নদী পর্যন্ত মরা খাল খননের দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি
  • রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের কুন্ডুরপাড় থেকে তারাসই গ্রাম হয়ে ঝিংরি নদী পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার মরা খাল খনন করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার কৃষক, মৎস্যজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণ।

মাত্র ৪ কিলোমিটার খাল খনন করা হলে ইরি-বোরো মৌসুমে সেচের পানির সংকট থেকে রক্ষা পাবে আনোয়ারপুর, হরিপা, বসিয়ারবন্দ, মাহমুদপুর চাতল, সারেঙ্গা মারেঙ্গাসহ বেশ কয়েকটি হাওরের হাজারো কৃষকসহ আশপাশের এলাকার অসংখ্য মৎস্যজীবি পরিবার। একারণে আগামী ফসল তোলার মৌসুমের আগে খালটি খনন করার দাবি জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুন্ডুরপাড় পয়েন্টের জনাব আলী ইদগাহ সংলগ্ন গড়ের খালের বুক ছিড়ে পশ্চিম দিকে তারাসই গ্রাম হয়ে পাকা রাস্তার পূর্বে ঝিংরি নদী পর্যন্ত একটি খাল ভারাট হয়ে নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে।

মরা এ খালটির দুই পাশে রয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। কৃষকরা জানান, এ সকল ফসলের মাঠের জমিতে পানি সেচ দিতে হলে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে ঝিংরি নদী থেকে ২ থেকে ৩ বারে পানি আনতে হয় প্রকল্পের ইজারাধারদেরকে। ওই মাঠ গুলোতে অসংখ্য জমির ফসল কেটে ফসল ঘরে তোলার অনুপযোগী হওয়ায় কৃষকের ঘাম ঝরানো কষ্টের ফসল জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

যাত্রাপাশা ও তারাসই গ্রামের বেশ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানান, কৃষি এবং মৎস্য আমাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান উৎস। এ বছর অনাবৃষ্টি ও ফসলে ব্লাস্ট ভাইরাসের আক্রমণ এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই সেচ প্রকল্পের সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

ফসলের উৎপাদন খরচও না পাওয়ায় এবং আয়ের কোন উৎস না থাকায় পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে গিয়ে ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়তে পারে অসংখ্য পরিবার।

এ সকল পরিবারকে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে জীবন ও জীবিকা নিয়ে। তারা বলেন, আমাদের হাওর গুলোর বুক ছিড়ে যে খালটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে এই খালটি খনন করা হলে সারা বছর খালে পানি থাকবে। এতে কৃষকদেরকে সেচ প্রকল্পের উপর নির্ভরশীল হতে হবেনা।

জমিতে ধান চাষ ছাড়াও বিভিন্ন রকম ফসল ফলানো সম্ভব হবে। এছাড়াও সারা বছর খালসহ আশপাশের জলাশয় গুলো থাকবে মাছে পরিপূর্ণ। খাল গুলোতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে অধিকাংশ পরিবার। বয়োঃবৃদ্ধ কয়েকজন জানান, এক সময় এই খাল গুলো ছিল দেশীয় মাছের অভয়ারণ্য।

এ ছাড়াও এই খাল দিয়ে চলাচল করত ছোট বড় অসংখ্য মালবাহী ও যাত্রীবাহী নৌকা। তারা বলেন, বিএডিসি’র সেচ প্রকল্পের হেয়ালীপনায় প্রতি বছরই কোন না কোন জমির মাঠের ফসল নষ্ট হয়।

বেশ কিছু হাওরে বিএডিসির সেচ প্রকল্পের আওতায় পাকা ড্রেন নির্মান করে সেলু মেশিন বসানোর সিস্টেম থাকলেও এগুলো কৃষকের কোন কাজে আসেনা। তারা নামে মাত্রই দায়িত্বে আছেন জানিয়ে কৃষকরা বলেন, উনাদের কখনও মাঠে দেখা যায় না।

কৃষক এবং মৎস্যজীবী পরিবার গুলোকে মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে আগামী ফসল তোলার মৌসুমের আগে গড়ের খাল থেকে ঝিংরি নদী পর্যন্ত এই খালটি খনন করা অত্যন্ত জরুরী কৃষকদের অভিমত।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
বানিয়াচং মিরর  © ২০২৩, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD