1. sm.khakon@gmail.com : admin :
  2. rayhansumon2019@gmail.com : rayhan sumon : rayhan sumon
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০২:১৭ অপরাহ্ন

বানিয়াচংয়ে দম ফেলানোর ফুরসত নেই দর্জি কারিগরদের

ইমতিয়াজ আহমেদ লিলু
  • শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বানিয়াচংয়ের হাটবাজারে দর্জির দোকানগুলোতে পুরোদমে চলছে নতুন পোশাক তৈরির হিড়িক। সেই সঙ্গে দোকানের মেঝেতে রয়েছে কাপড়ের স্তুপ। ডান-বায়ের দেয়ালেও ঝুলছে নানা রঙ ও নকশার বানানো পোশাক। সেলাই মেশিনের একটানা খটখট আওয়াজ চলছে। এর মধ্যেই নেওয়া হচ্ছে নতুন পোশাকের অর্ডার। একই সঙ্গে চলছে মাপ অনুযায়ী কাপড় কাটার কাজও।

উপজেলার কয়েকটি বাজারের বেশ কয়েকটি দর্জির দোকানে ঘুরে এমন ব্যস্ততা ও ক্রেতাদের ভীড় দেখা গেছে। দর্জিদের দম ফেলার ফুসরত নেই। চলছে বিরামহীন কাজ। দর্জিরা বলছেন আমরা আজ থেকে পোশাক তৈরির অর্ডার আর নিচ্ছি না। কারণ কারিগররা আর কত পোশাক তৈরি করবে। ঈদকে সামনে রেখে ফ্যাশন-সচেতন আর রুচিশীল ব্যক্তিরা ছুটছেন দর্জি বাড়িতে।

আগেভাগেই নিজেদেরে পছন্দসই জামা-কাপড় বানিয়ে রাখছেন তারা। এজন্য দর্জি পাড়ায় বেড়েছে ঈদ কেন্দ্রিক ব্যস্ততা। চাঁদ রাতের আগেই ক্রেতাদের হাতে পোশাক তুলে দিতে দিন-রাত কাজ করছেন কারিগররা।
দর্জিরা বলছেন, রমজান শুরুর পর থেকেই ঈদের পোশাকের অর্ডার নেয়া শুরু হয়েছে।

নিজস্ব বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের পোশাক বানাতে বানিয়াচংয়ের দর্জিও দোকানগুলো তাই এখন সরগরম। কাপড় কাটা থেকে শুরু করে সেলাইসহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত সময় কাটছে কারিগরদের। ক্রেতারা জানান, রমজান প্রায় শেষের দিকে। আর কয়েক দিন পরেই ঈদুল ফিতর।

হাতে আর তেমন সময় নেই। যারা তৈরি পোশাক (রেডিমেড) পড়তে পছন্দ করেন না বা নিজের পছন্দমতো মাপে ও ডিজাইনে পড়তে অভ্যস্ত, তারা এখন ভিড় করছেন দর্জির দোকানগুলোতে। তাই বাজারের বিভিন্ন দর্জির দোকানে এখন ব্যস্ততা বেশি।

দর্জির দোকানিরা জানান, এখন ব্যস্ততা বেশিই দম ফেলার সময় নেই আমাদের। তবে এ ব্যস্ততা শুরু হয়েছে রমজান মাস শুরুর পর থেকেই। শুরুতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করতে হতো। আর এখন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। তারা আরও জানান, পরিশ্রম একটু বেশি হচ্ছে, তবুও তারা খুশি। কারণ ঈদের মৌসুমে বাড়তি কাজের অর্ডার হয়। এতে বাড়তি আয়ও হচ্ছে। বড়বাজারের ম্যাক্স টেইলার্স এর কারিগর জোবায়ের বলেন, আমরা আধুনিক ডিজাইনের রুচিসম্মত পোশাক তৈরি করি।

এবারের ঈদে টেইলার্সে প্রতি পিস প্যান্ট সেলাই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শার্ট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাঞ্জাবি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পায়জামা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, লেহেঙ্গা ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, থ্রি-পিছ প্রকারভেদ অনুযায়ী ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, ব্লাউজ-পেটিকোট ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের উপর নির্ভর করে নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। নতুনবাজারের প্রাইম টেইলার্সের স্বত্বাধিকারি মুরাদ আহমেদ জানান, এবার রমজানের শুরু থেকেই ভালো অর্ডার পাচ্ছি।

যেহেতু অর্ডার বেশি তাই গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। সালাম টেইলার্স এর মালিক আব্দুস সালাম জানান, বেশিরভাগ অর্ডার আসছে মহিলাদের কাছ থেকে। কারণ মহিলা কিংবা তরুণীদের অনেকেই ফিটিংস পোশাক পছন্দ করেন। এ পোশাকের বড় একটা অংশের অর্ডার আসে রোজার ঈদেই। তাই অনেকে থান কাপড় কিংবা সেট নিয়ে চলে আসছেন দর্জিপাড়ায়। এ কারণে দর্জির দোকানগুলোতে অন্য সময়ের তুলনায় ব্যস্ততা বেড়েছে।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
বানিয়াচং মিরর  © ২০২৩, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD