1. sm.khakon@gmail.com : admin :
  2. rayhansumon2019@gmail.com : rayhan sumon : rayhan sumon
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

বানিয়াচংয়ে গ্রেফতার আতঙ্কে জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা : ৭০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
  • বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির চলমান অবরোধ কর্মসূচি ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে হামলা-সংঘাত। এর জেরে দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ করছে একের পর এক মামলা। নেতাকর্মীর নামে মামলা ঠোকার পর পুলিশ চালাচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান।

এরই ধারাবাহিকতায় বানিয়াচংয়েও বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর নানা অভিযোগ এনে দায়ের করা হয়েছে মামলা। এই মামলায় আসামি থাকায় এজাহারনামীয় ছাড়াও দলটির সক্রিয় অনেক নেতাকর্মীরাই গ্রেপ্তারের ভয়ে এখন এলাকাছাড়া।

পুলিশ অভিযানের সময় নেতাকর্মীদের না পেয়ে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে বলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তোলে ধরেছেন।

বানিয়াচং থানা পুলিশের এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম আসামীরা বেআইনেভাবে একতাবদ্ধ হয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও নাশকাত কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে গত রবিবার (২৯ অক্টোবর) বাদি হয়ে বানিয়াচং উপজেলা বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠন এবং জামায়াত নেতাকর্মীদের ৭০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০০/১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

এই মামলায় নেতারা নিজেদের গা বাঁচাতে আড়াল করে নিয়েছেন। ইতিমধ্যে থানা পুলিশের অভিযানে গত মঙ্গলবার অবরোধ চলাকালে উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মখলিছুর রহমান আবুকে বানিয়াচং-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শরীফ উদ্দিন নামক স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা জামায়াত নেতা মুছা মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

অন্যদিকে হরতালের আগের দিন উপজেলা যুবদলের সদস্য সেবুল মিয়াকে গ্রেফতার করে বানিয়াচং থানা পুলিশ। মামলার অন্যান্য আসামীরা আত্মগোপনে থাকা অনেকেই আগাম জামিন নিতে ঢাকা কিংবা জেলার বাইরে আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদের বেশির ভাগেরই মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। কেউ কেউ পুরনো বন্ধ সিম চালু করে বা সিম পাল্টে আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

পুলিশের অভিযানের সময় আসামীকে না পেয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা কাটাকাটি ও দুর্ব্যবহার করছে বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রকিব ফজলে নকীব মাখনকে গ্রেফতার করতে গত সোমবার গভীর রাতে অভিযান চালায় পুলিশ।

কিন্ত তাকে বাড়িতে না পেয়ে তার বৃদ্ধ মা ও শিক্ষক বড় ভাইয়ের সাথে অশালীন আচরণ করেছে বলে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তোলে ধরেছেন। তাছাড়া তালিকায় আসামী না থাকার পরও অনেকের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ সেটাও উল্লেখ করা হয়।

বিস্তারিত জানতে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসাইন আমার হবিগঞ্জকে জানান, পুলিশের অভিযান এটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। একমাত্র আসামী যারা তাদেরকে ই গ্রেফতার করা হয়েছে অন্য কাউকে নয়।

আর আসামী স্বজনদের সাথে পুলিশের যে দুর্ব্যবহার-অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা ভুল। পুলিশ আসামীর স্বজন বা কাউকে অহেতুক হয়রানি করছে না। মামলার প্রকৃত আসামীদের ধরতেই পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
বানিয়াচং মিরর  © ২০২৩, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD