1. sm.khakon@gmail.com : admin :
  2. rayhansumon2019@gmail.com : rayhan sumon : rayhan sumon
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এনালাইসিস : ম্যাচ নং৮ পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা

সৈয়দ সুহেল রানা
  • বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের টার্গেটে ম্যাচ জিতে রেকর্ডে নাম লেখালো পাকিস্তান।৩৪৪ রানের বড় স্কোর গড়েও পরাজিত দল শ্রীলঙ্কা।

মঙ্গলবার ১০(অক্টোবর) ভারতের হায়দারাবাদের রাজীব গান্ধী জাতীয় স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করে ৩৪৪ রানের পাহাড় গড়েও ৬ উইকেট ১০ বল বাকি থাকতেই হারতে হয় ৯৬’র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দের।

পাকিস্তানের বোলিং এটাকের যে সুনাম বিশ্বজুড়ে তা যেন ইদানীং একটু নড়বড়ে! এশিয়াকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাজে বোলিংয়ের খেসারত দিতে না দিতেই ফাইনালেও ভারতের বিপক্ষে অত্যন্ত খরুচে ছিলো পাকিস্তানি বোলাররা।

এই বিশ্বকাপেও পাকিস্তানের বিশ্বমানের বোলারদের সাদা মাটাই লাগছে! দূর্বল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শুরুর দিকে অনেক আলগা বল করেছে পাকিস্তান।

আজও পাকিস্তানের পেস এটাক ছিলো নড়বড়ে। বিশেষ করে শাহীন আফ্রিদি’র নতুন বলে ফর্ম হীনতা পাকিস্তানের চিন্তার কারন।নাছিম শাহ এর অবর্তমানে পাকিস্তানের পেস এটাকের সবচেয়ে বড় ভরসা আফ্রিদি।

শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ওভারেই কোশাল পেরেইরাকে হারালেও মাত্র ১৫.৪ ওভারেই দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সংগ্রহ করে ১০২ রান। হাসান আলী দলীয় ৫ রানে পেরেইরাকে ফেয়ায়।

১০৭ রানের মাথায় সাদাবের বলে ফিরে নিশাকা।তারপরই চলতে থাকে ফর্মের তুঙ্গে থাকা মেন্ডিস ও সামারাবিক্রমা শো। দলীয় ২১৮ রানের মাথায় মাত্র ৭৭ বলে অসাধারণ ১২২ রান করে ফেরে মেন্ডিস। মেন্ডিসের আউটের পর দ্রুতই হাসান আলীর শিকার হয়ে ফিরে আসালাঙ্কা(১)।

৪১ ওভারেই ২৯৪ রান উঠলেও শেষদিকে শাহিন ও রউফের পেস ও একুরেসির কারনে শ্রীলঙ্কা ৩৪৪ রানের বেশি করতে পারেনি।ধনঞ্জয় ডিসিলভা ২৫ ছাড়া শেষদিকে কেউই দাঁড়াতে পারেনি। এতে করে শেষ ৯ ওভারে শ্রীলঙ্কা তুলতে পারে মাত্র ৫৪ রান।

পাকিস্তানের হাসান আলী ৪টি ও হারিস রউফ ২টি উইকেট পায়। এছাড়াও আফ্রিদি, সাদাব ও নাওয়াজ প্রত্যেকে ১টি করে উইকেট পায়।

রেকর্ড ৩৪৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান শুরুতেই হারায় ঈমাম ও অধিনায়ক বাবরের মূল্যবান উইকেট। ইদানীং বাবর আজমের ব্যাট খুব একটা হাসছে না সেটি পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

দলীয় ১৬ রানে ঈমাম(১২) ও দলীয় ৩৭ রানে বাবর আজম(১০) কে ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কা অনেকটাই ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয়। এরপর থেকেই শুরু শ্রীলঙ্কার হতাশা আর হতাশা। পাকিস্তানের পক্ষে ৩য় উইকেটে ১৮৬ রানের জুটি গড়ে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে নামা শফিক ও পাকিস্তানের মিডল অর্ডারের ব্যাটিং স্তম্ভ রিজওয়ান।

দলীয় ২১৩ রানে ১০৩ বলে ১১৩ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে পাতিরানা’র বলে অতিরিক্ত ফিল্ডার হেমন্তের অবিশ্বাস্য ক্যাচে পরিনত হয়ে আউট হয় আব্দুল্লাহ শফিক। জয়ের কাছাকাছি গিয়ে আউট হয় আগের ম্যাচের পাকিস্তানের পক্ষে অর্ধশতক করা বিশ্বকাপে পাকিস্তানের আরেক নবাগত ব্যাটার সাউদ শাকিল।শাকিল(৩১)কে ফেরায় থাকসিনা।

পাকিস্তানের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান আগের ম্যাচে ৬৮ রানের ইনিংস খেলা রিজওয়ানের। দলীয় ৩৭ রানে ২ উইকেট পড়ার পর ম্যাচের সব দায়িত্ব চাপে রিজওয়ানের ঘাড়ে! সেই চাপ সামলিয়ে শফিককে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে রিজওয়ান।

কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত ৮০ রানের পর থেকেই লিগামেন্ট এর সমস্যায় ভুগতে থাকে রিজওয়ান। বেশ কয়েকবার মাঠে পড়ে যেতেও দেখা যায় তাকে।এতে করেও দমে যায় নি রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে ১২১ বলে ১৩১* রানের মহা কাব্যিক ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ে রিজওয়ান।

রিজওয়ান ও শফিকের পাশাপাশি পাকিস্তানের জয়ে আরও অবদান রাখে শ্রীলঙ্কার অনিয়ন্ত্রিত বোলিং ও বাজে ফিল্ডিং। বেশ কয়েকটি ক্যাচও এদিন শ্রীলঙ্কার ফিল্ডাররা হাতছাড়া করে। বিশ্বের অন্যতম সেরা সীমিত ওভারের বোলার হাসারাঙ্গ,অভিজ্ঞ পেসার লাহিরু কুমারা,চামিরা ও করুনারত্নের ইঞ্জুরি শ্রীলঙ্কান বোলিং লাইনআপকে দূর্বল করেছে।

বাধ্য হয়েই অনভিজ্ঞ বোলিং লাইনআপ দিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে হচ্ছে লঙ্কানদের। অপরাজিত ১৩১* রানের কল্যাণে যথারীতি ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে এর আগে সর্বোচ্চ টার্গেটে জয়ের রেকর্ডটি ছিলো আইরিশদের দখলে। ২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মাঠে ইংল্যান্ডকে তারা হারিয়েছিলো ৩২৯ রানের টার্গেট টপকিয়ে। এখন এই রেকর্ডের মালিক পাকিস্তান।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
বানিয়াচং মিরর  © ২০২৩, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD